Breaking News
Home >> Breaking News >> মেহেন্দী দিয়ে লেখা ফোন নাম্বার, খুনি বাবাকে চেনালো মেয়ে

মেহেন্দী দিয়ে লেখা ফোন নাম্বার, খুনি বাবাকে চেনালো মেয়ে

সংবাদদাতা বর্ধমান: মৃত্যু নিশ্চিত। তাই এক অদ্ভুত উপায়ে ঘাতকদের চিনিয়ে দিতে চেয়েছিল যুবতী।’ অনার কিলিং’ এর এই রোমহর্ষক ঘটনা চমকে দিয়েছে পুলিশকেও। বিহারের মুজফফরপুরের ইলাদাদ গ্রামে বাড়ি জাহানা খাতুন। বয়স মাত্র উনিশ। প্রেমে পড়ে ভিন জাতের একটি ছেলের।দুজনে প্রেমের বাঁধনে বাঁধা পড়ে।পালিয়েও যায়। কিন্তু বাড়ির লোক তাদের ফিরিয়ে আনে।

কিন্তু প্রেম বাঁধা মানেনি। আবার পালায় দুজনে। এবারেও বুঝিয়েসুঝিয়ে ফিরিয়ে আনে বাড়ির লোক। এইবার বাড়ির লোক বোঝে এই প্রেম বাঁধা মানার নয়। তখনই চরম পরিকল্পনা করে বাবা আর দাদা। বাবা মহঃ মুস্তাক ওরফে মুস্তাফা আর দাদা মহঃ জাহিদ। দুজনেই কলকাতায় পার্ক সার্কাস এলাকায় থাকে।তারা গাড়ি চালায়। তারা বুঝিয়ে জাহানা কে কলকাতা নিয়ে যায়। সেখান থেকে গাড়ি করে ৩১ আগষ্ট বর্ধমান যাত্রা করে। পথের মাঝে জামালপুরে শ্বাসরোধ করে বাবাই খুন করে মেয়েকে। বাবা এরপর মৃত্যু নিশ্চিত করতে ভারী পাথর দিয়ে আঘাত করে। এরপর দুজনে মিলে দেহ নবগ্রামে ফেলে পালায়।পরের দিন জাতীয় সড়কের ধারে ক্ষতবিক্ষত দেহ মেলে।পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তে পাঠায়।এরপরই ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়।

ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে ডোমেরা যুবতীর শরীরের দুটি অংশে দুটি ফোন নাম্বার দেখতে পায়। এর একটি সেই প্রেমিকের। সে এখন মুম্বাইতে কাজ করে। জামালপুর থেকে পুলিশের দল মুম্বাই যায়। সেই দলটি মৃত মেয়েটির ছবি দেখায় ওই যুবককে। একেবারে ভেঙ্গে পরে যুবক। সে জানায় বাবা ও দাদা মেয়েটিকে কলকাতায় নিয়ে যায়। তার অনুমান; তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।তার কাছ থেকে বাবা ও দাদার ফোন ও ঠিকানা পায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর দুই খুনীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সোমবার তাদের আদালতে তোলা হয়।পুলিশকে অভিযুক্তরা জানিয়েছে; গ্রামে মানসম্মান চলে যাচ্ছে ভিন জাতে প্রেমের কারণে। তাই এই চরম সিদ্ধান্ত৷ অনার কিলিং এর ব্যাধি থেকে এখনো মুক্ত হয় নি দেশ।এঘটনা আবার তা প্রমাণ করল।

এছাড়াও চেক করুন

নদিয়ার পলাশীপাড়ায় মা মনসা পুজো ১০৮ তম বর্ষে পর্দাপণ করল

পার্থ দাস বৈরাগ্য, স্টিং নিউজ করেসপন্ডেন্ট, তেহট্ট, নদিয়া: “জয় জয় মা মনসা জয় বিষহরি গো,বন্দনা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.