Breaking News
Home >> Breaking News >> তৃণমূলের সিন্ডিকেট ছাড়া বাংলায় কিছু করা কঠিন, কটাক্ষ মোদির

তৃণমূলের সিন্ডিকেট ছাড়া বাংলায় কিছু করা কঠিন, কটাক্ষ মোদির

কার্তিক গুহ, পশ্চিম মেদিনীপুর: মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কৃষক কল্যাণ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুপুর ১২.৩০ সভাস্থলে পৌছালেন মোদি।প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সভায়  রয়েছেন রাজ্যসভাপতি দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় ও কেন্দ্রীয় রাজ্যনেতৃত্ব।  প্রধানমন্ত্রীকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্বর্ধনা জানালেন দিলীপ ঘোষ।বাংলায় শুভেচ্ছোবার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী সমাবেশের পাল্টা মেদিনীপুর শহরজুড়ে গত কয়েকদিন ধরেই প্রচুর ব্যানার, হোর্ডিং লাগিয়েছে তৃণমূল। মোদীর ছবির পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিতে গোটা মেদিনীপুর শহর ছেয়ে ফেলা হয়েছে। একুশে জুলাইয়ের বড় বড় কাটআউট লাগানো হয়েছিল।

তৃণমূলের এই চেষ্টাকে ব্যঙ্গ করে শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনাদের মতোই আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেও কৃতজ্ঞ। কারণ আমায় স্বাগত জানানোর জন্য গোটা রাস্তায় দেখলাম হাতজোড় করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একের পর এক ছবি লাগানো হয়েছে। এটা ভারতীয় জনতা পার্টির বিরাট বড় জয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল দলও কৃষকদের এই সভা সফল করতে কম চেষ্টা করেনি। কৃষক আমাদের দেশের অন্নদাতা। কোনও সমাজ ততদিন এগোতে পারবে না, যতদিন না কৃষকরা এগোতে পারবে।২০২২ সালে কৃষকদের আয় দ্বিগুন করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।মাছ, পশুপালন, মৌমাছি পালন থেকে সব কৃষকের আয় দ্বিগুন করার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।আগের সরকার বাঁশকে গাছ বলে কাটা নিষেদ করেছিল আমরা সরকারে এসে বাঁশকে ঘাস বলে তকমা দিয়েছি,আমরা বাঁশ চাষের ওপর জোর দিয়েছি। আগে বাঁশ বিদেশ থেকে আনা হতো এখন আমার দেশের আদিবাসীরা যাঁরা বাঁশ বাগানের কাছেই বসবস করতেন তাঁদের বাঁশ বিক্রির অধিকার ছিল না।আমরা সেই অধিকার দিয়েছি। বিজেপি কৃষকদের জন্য এত কাজ করেছে, গ্রামের উন্নয়ন না হলে শহর এগোতে পারবে না। বিজোপি এত কাজ করেছে য়ে তৃণমূলও স্বাগত জানিয়েছে।তিনি আরো জানান আজ পশ্চিমবঙ্গের হাল আমরা দেখতে পাচ্ছি কৃষকরা দাম পাচ্ছেন না,বেকাররা চাকরি পাচ্ছেন না মা-মাটি-মানুষের কথা বলা তৃণমূলের আসল রূপ মানুষ দেখতে পাচ্ছেন। মানুষ দেখতে পাচ্ছে সিন্ডিকেটের রূপএই সিন্ডিকেট কৃষক, শ্রমিকের অধিকার ছিনিয়ে, তাদের টাকা কেড়ে নেওয়ার সিন্ডিকেট। বন্যায় আলুর ক্ষতি হচ্ছে কারণ পর্যাপ্ত হিমঘর নেই।

বাংলার যুবকরা চাকরি পাচ্ছে না আজ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ বহু কষ্টে বেঁচে আছে । সিন্ডিকেটকে টাকা না দিলে কিছুই করা যাবে না রাস্তা, স্কুল, কলেজ, কারখানা, ব্যবসা কিছুই করা যাবে না সিন্ডিকেটকে টাকা না দিলে। এই সিন্ডিকেটই ঠিক করছে কোন দোকান থেকে কী কিনতে হবে সিমেন্ট, বালি, ইট কোন দেকান থেকে কিনতে হবে সিন্ডিকেট ঠিক করে দিচ্ছিএখানে সিন্ডিকেটের ইচ্ছেতেই সব হয় সেটা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দারা ভালভাবে বুঝে গিয়েছেন।

মেদিনীপুরের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সিন্ডিকেট রাজ থেকে সাম্প্রতিক কলেজ ভর্তি নিয়ে তোলবাজির অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এসেছে সবই। একই সঙ্গে চ্যালেঞ্জের সুরে তাঁর দাবি, কয়েকমাসের মধ্যেই বামেদের মতো বাংলা থেকে বিদায় নেবে তৃণমূল সরকারও।

এছাড়াও চেক করুন

প্রতিবন্ধী অধিকার আইন ২০১৬ কার্যকর করবার দাবীতে আইন অমান্য কর্মসূচী

প্রতিবন্ধী অধিকার আইন ২০১৬ কার্যকর করবার দাবীতে বিক্ষোভ ও আইন অমান্য কর্মসূচী পালন করল পশ্চিমবঙ্গ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.