Breaking News
Home >> Breaking News >> শান্তিপুর থেকে বাগআচড়া হয়ে নবদ্ধীপ একমাত্র রাস্তা বেহাল, কবে হবে রাস্তা সংস্কার সেদিকেই তাকিয়ে ওই অঞ্চলের মানুষ

শান্তিপুর থেকে বাগআচড়া হয়ে নবদ্ধীপ একমাত্র রাস্তা বেহাল, কবে হবে রাস্তা সংস্কার সেদিকেই তাকিয়ে ওই অঞ্চলের মানুষ

কমল দত্ত,নদিয়া: দীর্ঘ বেশকয়েক বছর ধরে তাদের খবর কেউ রাখেন না।তাদের যাতায়াতের একমাত্র প্রধান রাস্তা বেহাল।নদিয়ার শান্তিপুর ২ নং ব্লকের শান্তিপুর থেকে ভালুকা-গয়েশপুর হয়ে নবদ্ধীপের রাস্তা অন্যদিকে এই রাস্তার পাশে গঙ্গা বয়ে গেছে তাও গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধ করে গ্রাম বাসীরা নিজেরাই। আশঙ্কা থেকেই যায়। এখানকার বাগ আচড়া হাই স্কুলে পড়তে আসে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূর থেকে ছাত্র ছাত্রীরা।

প্রত্যন্ত এই গ্রামের এই রাস্তার জন্য গ্রামবাসীরা জেলা ও ব্লক স্তরে রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন জানিয়েও কোন ফল না মেলে নি।কেউ উদ্যোগ গ্রহন না করার ফলে ওই এলাকার স্থানীয় মানুষজন নিজেরাই রাস্তার কাজে হাত লাগাই।কিন্তু তাতে আর বর্ষার জল মানে নি।জানাগেছে এই এলাকার সবচেয়ে পুরোনো রাস্তা এটি।প্রতিদিন এখান দিয়ে হাজার হাজার মানুষজন,স্কুল পড়ুয়া ছাড়াও ছোট বড় যানবাহন। ছোট বড় দুর্ঘটনা প্রায়সই লেগেই থাকে।বাদ যাই নি প্রসবকালীন গর্ভবতী মহিলা থেকে মুমুর্ষ রোগী।রিতীমত তাদের প্রান ওষ্ঠাগত। জীবনের ঝুকি নিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে হয় তাদের।প্রসব যন্ত্রণায় কাতর গর্ভবতী মহিলাদের রাস্তায় সন্তান প্রসব করে ফেলেন আবার কখন দেখা গেছে জরুরী রোগীকে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে নবদ্ধীপ হাসপাতাল অথবা শান্তিপুরে নিয়ে যেতে গেলে রোগীর অবস্থা সংগাহীন হয়ে পড়ে।চলার অযোগ্য রাস্তার এমনি জীর্নদশা খানা খন্দে ভরা আবার তার উপর বড় বর খোয়া আকিবুকি দিচ্ছে সেই সাথে রাস্তার কার্লভাটের লোহার রড বেড়িয়ে আছে।

এবিষয়ে স্থানীয় প্রাক্তন এক পঞ্চায়েত সদস্য ফিরোজ সেখ জানান ২০০৮ সাল নাগাদ এই রাস্তা তৈরী হবার পর নতুন করে আর রাস্তা সংস্কার হয় নি।শান্তিপুর বাগ আচড়া থেকে ভালুকা পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা সবচেয়ে বেশী খারাপ।অবিলম্বে রাস্তা মেরামতি হলে সকলের উপকার হবে।যানবাহন চালকদেরও চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে কারন তাদের গাড়ির যন্ত্রাংশ ভেঙে পড়ছে।স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের আরও জানান প্রতিদিন গড়ে এই রাস্তাদিয়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার ছাত্র ছাত্রী ছাড়াও ২৫ হাজার মানুষজন চলাচল করেন।গত ৩ মাস আগে নদিয়া জেলা পরিষদ থেকে এই রাস্তা মেরামতির জন্য কিছু টাকা বরাদ্দ হয় কিন্তু তা দিয়ে রাস্তা মেরামতি হলেই তা পুর্বের অবস্থায় আর ভয়ানক সৃষ্টি হয়।দুই স্কুল ছাত্র প্রশান্ত সরকার ও রাহুল সেখ এবিষয়ে বলেন তারা রাস্তার এই বেহাল দশার জন্য স্কুলে পৌছাতে দেড়ি করেন।এছাড়া এবিষয়ে শান্তিপুর ব্লকের এক তৃনমুল নেতা তপন সরকার জানান প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনার এই রাস্তা প্রায় ১০ বছর আগে তৈরী হয়েছিল কিন্তু তা এখন খুব খারাপ।আমি ব্যক্তিগত ভাবে এর আগে ওই এলাকার ইট ভাটার মালিকদের বলি তাদের ভাটার ইট দিয়ে নিজেরাই মেরামতি করে।বর্তমানে আমি চাইছি খুব দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার হোক।শেষে আমরা নদিয়া জেলা শান্তিপুর সমস্টি উন্নয়ন আধিকারিক সুমন দেবনাথের কাছে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন।ইতিমধ্যে ৩৪ লক্ষ টাকা জেলার W.B.S.R.T.A এর মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে।এখন শুধু সময়ের অপেক্ষায়।এই বর্ষার মরসুম কাটলেই ওই বেহাল রাস্তা সংস্কার করা হবে বলে জানানো হয়।এবার আর বেশ কিছুদিন কাটার পর নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবেন ওই অঞ্চলের মানুষ।

এছাড়াও চেক করুন

প্রতিবন্ধী অধিকার আইন ২০১৬ কার্যকর করবার দাবীতে আইন অমান্য কর্মসূচী

প্রতিবন্ধী অধিকার আইন ২০১৬ কার্যকর করবার দাবীতে বিক্ষোভ ও আইন অমান্য কর্মসূচী পালন করল পশ্চিমবঙ্গ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.