Breaking News
Home >> Breaking News >> অবশেষে শুভেন্দুর স্বপ্নপূরন,সাগরবাড় পঞ্চায়েত আসতে চলেছে তৃনমূলের দখলে,শুধু সময়ের অপেক্ষা

অবশেষে শুভেন্দুর স্বপ্নপূরন,সাগরবাড় পঞ্চায়েত আসতে চলেছে তৃনমূলের দখলে,শুধু সময়ের অপেক্ষা

নিজস্ব সংবাদদাতা,কোলাঘাটঃ এ যেন স্বপ্নপূরন। দীর্ঘ প্রচেষ্টা,সংগ্রামের পর জয়ের দোরগোড়ায় তৃনমূল।দীর্ঘদিন যাবৎ জাতীয় কংগ্রেস দখল করে আসছিলো কোলাঘাট ব্লকের সাগরবাড় গ্রামপঞ্চায়েত।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় একমাত্র পঞ্চায়েত যেটি এলাকার জনপ্রিয় নেতা সুরজিৎ মাইতির ক্যারিসমায় নিজের দখলে রেখেছিল কংগ্রেস এই আসনটি।তবে সম্প্রতি পঞ্চায়েত নির্বাচনে যথেষ্ট আশাবাদী ছিলেন সুরজিৎ বাবু ও তার দল কংগ্রেস।

যদিও রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম থেকেই পাখির চোখ ছিলো এই সাগরবাড় গ্রামপঞ্চায়েত তৃনমূলের দখলে আনা।অবশ্য ভোটের দিন অনেক অভিযোগ,গন্ডগোল, মারপিট দেখেছে সাগরবাড় গ্রামপঞ্চায়েতের মানুষ।হয়েছিল দুটি বুথের পুনঃনির্বাচন।তবুও শেষ হাঁসিটি হেঁসেছিলেন সেই সুরজিৎ বাবু।এরপর আসে দলবদলের খেলা।গনিতের নিয়ম মাফিক কংগ্রেসের দখলে থাকা সাগরবাড় গ্রামপঞ্চায়েত রবিবারের বিকেল থেকে অন্যমাত্রায় রূপনিলো রাজনৈত্যিক পটপরিবর্তন। এদিন বিকেলে সাগরবাড় গ্রামে ছিলো তৃনমূলের উন্নয়নী সভা।আর এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।তবে সভা চলাকালীন স্বমহিমায় উপস্থিত হন সুরজিৎ মাইতি।কিছু পরেই স্টেজে আসেন শুভেন্দু বাবু।আসার সাথে সাথেই বরন করে নেন স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব।এরপর সভার প্রায় শেষ লগ্নে তৃনমূল কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন শুভেন্দু বাবু।এদিন শুভেন্দু বাবু প্রকাশ্যেই জানান,আমার দীর্ঘদিনের লক্ষ্য ছিলো এই সুরজিৎ মাইতিকে দলে আনারজন্য।আজ তা বাস্তবায়িত হলো।এবার থেকে এই গ্রামপঞ্চায়েতের উন্নয়নের কাজ দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া হবে।এখন থেকে সাগরবাড় একেবারে বিরোধীশূন্য হয়ে গেলো।সবাইকে নিয়ে উন্নয়নের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।এদিনের সভায় শুভেন্দু বাবু ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অসিত বন্দ্যোপাধ্যায়,সুমিত্রা পাত্র,সেক সেলিম,দিবাকর জানা সহ বিশিষ্টরা।তবে এই দলবদলের প্রসঙ্গে কংগ্রেসের জেলা সভাপতি সেক আনোয়ার আালি জানান,সুরজিৎ বাবু অত্যন্ত পবিত্র মানুষ।সম্ভবত চাপের কারনেই তিনি তৃনমূলের কাছে মাথানত করেছেন।

যেমনভাবে মানস ভুঁইয়া কংগ্রেস ছেড়ে তৃনমূলে নাম লিখিয়েছিলেন।এই ক্ষেত্রে সুরজিৎ বাবুর একই অবস্থা হয়তো হয়েছে।যদিও আমরা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বারবারে দলত্যাগ করতে বারন করেছিলাম।আমরা পাশে থাকার আশ্বাসও দিয়েছিলাম।যা ঘটনা ঘটলো তা গনতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত অশুভ বলে ব্যক্ষা করেন কংগ্রেস জেলা সভাপতি। তবে রবিবারের তৃনমূলের উন্নয়নী সভায় কংগ্রেস জয়ী নেতৃত্বদের দলবদলের ফলে সাগরবাড় গ্রামপঞ্চায়েত এই প্রথম তৃনমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত চালানোর স্বাদ পাবে তা কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র বলাযায়।

এছাড়াও চেক করুন

প্রতিবন্ধী অধিকার আইন ২০১৬ কার্যকর করবার দাবীতে আইন অমান্য কর্মসূচী

প্রতিবন্ধী অধিকার আইন ২০১৬ কার্যকর করবার দাবীতে বিক্ষোভ ও আইন অমান্য কর্মসূচী পালন করল পশ্চিমবঙ্গ …

Leave a Reply

Your email address will not be published.