Breaking News
Home >> Breaking News >> নিত্যদিন বর্ধমান হাসপাতালের সামনে যানজট

নিত্যদিন বর্ধমান হাসপাতালের সামনে যানজট

স্টিং নিউজ সার্ভিস, বর্ধমান: বর্ধমান হাসপাতালের সামনে যানজট নিত্যদিনের ঘটনা। টোটো অ্যাম্বুলেন্স সাধারণ যানবাহনের চাপে গ্রুত্বপুর্ন রাস্তা মাঝেমধ্যেই গতি হারাতো। যান জটে আটকে পড়ত মুমূর্ষু রোগীর অ্যাম্বুলেন্স বা গাড়ি। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের রাস্তাকে যানজট মুক্ত রাখতে বছর খানেক আগে উদ্যোগ নেয় জেলা প্রশাসন। কিন্তু তাতেও ফল মিলছে না। হাসপাতালের সামনের রাস্তাতে যানজটের চেনা ছবি আজও বর্তমান।

গত বছরের নভেম্বর মাস নাগাদ, ডিএসপি ট্রাফিক, আরটিও, হাসপাতাল সুপার, ডিপুটি সুপার সহ একটি টিম হসপিটাল রোড পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে আধিকারিকরা হসপিটাল রোডের যানজট কাটাতে একগুচ্ছ প্ররিকল্পনা স্থির হয়। অফিস চাইমে অর্থাৎ সকাল দশটা থেকে বিকাল চারটে পর্যন্ত রাস্তা ওয়ানওয়ে করা। টোটো দাঁড়াতে পারবে না। রোগী বা যাত্রী নামিয়ে বেরিয়ে যাবে টোটো। হসপিটাল রোডের রাজ কলেজের গেটের কাছে ও শ্যামসায়রের ঘাটের কাছে দুটি ট্রাফিক পোস্ট তৈরী করা হয়। মূলত যান নিয়ন্ত্রণের জন্য দুটি পোস্ট কাজ করবে। হাসপাতালের গেটের ৫০ মিটারের মধ্যে এ্যাম্বুলেন্স, টোটো বা কোন যানবাহন দাঁড়াতে পারবে না। এই ব্যাবস্থা চালুও হয়। খোষবাগান থেকে রাজকলেজ দিকে টোটো যাতায়াত করলেও উল্টো দিক থেকে কোন টোটা আসছিল না। চিল ট্রাফিক পোস্ট। এরই মাঝে নতুন পুলিশ সুপার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি কয়েকবার হাসপাতাল চত্বর ঘুরে যানজট নিয়ন্ত্রণ সহ একাধিক বিষয় খতিয়ে দেখেন।

কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই যানজটের চেনা ছবি হাসপাতালের সামনে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে রাস্তা , রাজ কলেজের দিক থেকে হাসপাতাল আসার তিনমাথা মোড় এবং খোসবাগানের দিকে থাকা ট্র্যাফিক গার্ড ওয়াল এখন আর দেখা যায়না।তবে রাজ কলেজের দিক থেকে হাসপাতাল আসার তিনমাথা মোড়, হাসপাতালে মূল প্রবেশ দ্বারে সিভিক থাকে। ফলে রাস্তার মধ্যে অবাধে চলে ‘টোটো রাজ’। খোসবাগান থেকে হাসপাতালের দিকে আসা রাস্তার ফুতপাত দখল করে যথারীতি দাঁড়িয়ে থাকে অ্যাম্বুলেন্স। তার পাশেই রাস্তার উপর একটি আলাদা লাইন করে টোটো দাঁড়িয়ে থাকে যাত্রীদের অপেক্ষায়। এরপর ফাঁকা থাকা বাকি রাস্তাতে হয় আসা যাওয়া। ফলে যানজট কমে না রাস্তাতে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের গেটে ঢোকার মুখেও অনেক সময় টোটো দাঁড়িয়ে থাকে যাত্রীর অপেক্ষায়। ফলে এই রাস্তাতে অনেক সময় দেখা যায় রোগীর গাড়ি বা অ্যাম্বুলেন্স দাঁড়িয়ে থাকে। হাসপাতাল গেটের রক্ষীরা অতিরিক্ত ভিড় হলে মাঝেমধ্যে লাঠি নিয়ে তেড়ে এলেও বাকি সময় রাস্তা কার্যত যানজটের ফাঁসেই আটকে থাকে।

শহরের বাসিন্দা রানা সেন, প্রতীক দাস, অরুপ সামন্তরা জানান, দায়ে না পড়লে তারা ব্যস্ত সময়ে হাসপাতালের রাস্তা ব্যবহার করেন না। একইভাবে রাস্তার যানজট নিয়ে ক্ষুব্ধ হাসপাতালে চিকিৎসা করতে আসা মঙ্গলকোটের রফিক সেখ, কাটোয়ার অলোক দাস বা গুশকরার কুন্তল রায়রা। বর্ধমান হাসপাতালে সুত্রে জানা গেছে, হাসপাতালের বাইরের অনুমোদনহীন অ্যাম্বুল্যান্স ও অস্থায়ী ঘরগুলির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। যানজটে যাতে কোনভাবেই না হয় সেই নিয়ে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রিয়ব্রত রায়।

এছাড়াও চেক করুন

দার্জিলিং-এ জয়ী বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা, খুশির হাওয়া পাহাড় থেকে সমতলে

বিশ্বজিৎ সরকার, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, দার্জিলিংঃ দার্জিলিং লোকসভা আসনে বিপুল ভোটে জয় পেল বিজেপি প্রার্থী …

Leave a Reply

Your email address will not be published.