Breaking News
Home >> Breaking News >> জানুন উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটির বড় মায়ের পূজোর ইতিহাস

জানুন উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটির বড় মায়ের পূজোর ইতিহাস

সৈকত গাঙ্গুলী, ব্যারাকপুর: উনিশ শতকের গোড়ার দিকে নৈহাটি থেকে পাঁচ বন্ধু নবদ্বীপে গিয়েছিলেন ভাঙা রাসের মেলা দেখতে। সেইখানে তারা বড় প্রতিমা দেখে চিন্তা করেন তাঁরাও নৈহাটিতে এমনই বড় পুজোর আয়োজন করবেন। সেই সময়ে নৈহাটিতে ফিরে ভবেশ চক্রবর্তী ,রাখালচন্দ্র দে, গদাই মোদক ,প্রমথ চক্রবর্তী ও ভদ্রেশ্বর পাত্র সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা বড় করে একটি কালী পুজো শুরু করবেন। সেই মতো ভবেশ চক্রবর্তী নিজের উদ্যোগে শুরু করেন এই কালীপুজো। সেই সময় এটি ভবেশবাবুর কালীপুজো বলে প্রতিষ্ঠিত ছিল এবং নাম ছিল ভবেশ কালী।

পরবর্তী সময়ে বড় কালী হিসেবে মানুষ কালীপুজোকে চিহ্নিত করেন। যত সময় যায় তত বাড়ে এই পুজোর মাহাত্ম্য। পরবর্তী সময় নৈহাটি ঋষি অরবিন্দ রোডের এই পুজোটির নাম দেওয়া হয় বড় মায়ের পুজো । নব্বই বছর পেরিয়ে এই পুজোর শতবর্ষের দিকে এগিয়ে চলেছে যত সময় যাচ্ছে তত বাড়ছে এই পুজোর মাহাত্ম্য ।
আজ নৈহাটি শুধু না বাংলা যে কোনও প্রান্তে বড়মা এই নামেই প্রসিদ্ধ বড় মায়ের মন্দির এবং বড় মায়ের প্রতিমা ।
বড়মার পুজোর শুরু লক্ষ্মীপুজোর দিন পূর্ণিমার সময় কাঠামো পুজো দিয়ে এর পর এই প্রতিমা যেখানে পুজো হয় সেখানেই তৈরী করা হয়। কালীপুজোর দিন থেকে চার দিন এই প্রতিমা পুজো হয় এবং এই প্রতিমাকে প্রত্যেক দিন আলাদা আলাদা ভোগ নিবেদন করা হয়। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই পুজোতে অংশগ্রহণ করতে আসেন দেশের নানা প্রান্ত থেকে এছাড়াও ভিন দেশ থেকেও । দিনে দিনে বড়মার প্রচার এতটাই হয়েছে যে প্রশাসনকে হিমশিম খেতে হয় মানুষের ভিড় সামাল দিতে গিয়ে ।
ঐতিহাসিক শহর নৈহাটিতে বড় বড় কালী পুজো হওয়ার সত্ত্বেও প্রথম গঙ্গাতে বিসর্জন হয় বড় মায়ের প্রতিমা তার পর অন্যান্য যে কোনও প্রতিমা গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়।

এছাড়াও চেক করুন

দলনেত্রীর ডাকা বৈঠকে না গিয়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সিতাইয়ে গেলেন রবি

মনিরুল হক, কোচবিহারঃ দলনেত্রীর ডাকা বৈঠকে না গিয়ে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত সিতাইয়ে গেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের …

Leave a Reply

Your email address will not be published.