Breaking News
Home >> Breaking News >> অসমে রাজনৈতিক স্বার্থে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তৃনমূল: দিলিপ ঘোষ

অসমে রাজনৈতিক স্বার্থে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে তৃনমূল: দিলিপ ঘোষ

বিশ্বজিৎ সরকার,স্টিংনিউজ করেসপনডেন্ট,দার্জিলিংঃ অসম পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেসে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে রবিবার শিলিগুড়িতে বিজেপি’র এক জনসভায় যোগ দিতে এসে এই কথাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলিপ ঘোষ।

এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন যে বর্তমান অসমে পরিস্থিতি সেখানকার সরকার দেখছে এবং সামলাছে। সম্ভব দোষীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং সরকার সমস্ত শক্তি লাগিয়ে যারা অপরাধী তাদের ধরার জন্য। এর পাশাপাশি যাতে এই ধরনের ঘটনা না হয় সেইটা চেষ্টা করছে। কিন্তু পশ্চিম বাংলায় যে উপাত্ত করা হচ্ছে। এবং এখান থেকে গিয়ে অসমে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অসমের বাঙালিরা বলছে আমরা ঠিক আছি।

কিন্তু তৃণমূল অসমে গিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে আসবেন। তারপর সেখান বাঙালিদের উপর অত্যাচার হলে তা কে দায়িত্ব নেবেন। কারন অসমীয়া বস্তির মধ্যে বাঙালিরা থাকেন। যদি অসমীয়া বাঙালি ঝগড়া বাধিয়ে দেও কেউ। তাহলে বাঙালিদের অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। কারন তারাই সেখানে সংখ্যালঘু। তৃণমূল এটাই চাচ্ছে যে সেখানে ঝগড়া হোক দাংঙ্গা হোক আর তা নিয়ে তারা রাজনীতি করবে। এবং তিনি আরও বলেন যে এনআরসি কয়েক মাস ধরে চলছে। কিন্তু এতদিন পর এই ঘটনা ঘটলো। তার দাবী বিচ্ছিন্ন একটা ঘটনা এর সাথে এনআরসি’র কোন যোগ নেই।

মুখ্যমন্ত্রী কি গনক নাকি। কারন কে বা কেন এই হত্যা করেছে তা এখনও সেখানকার সরকারের কাছেও স্পষ্ট নয়। এবং এনআরসি’র পর একটাও বাঙালি ওখান থেকে পালিয়ে আসেনি। তারা শান্তিতেই আছেন। কিন্তু এখান থেকে রাজনৈতিক স্বার্থে ওখানে গিয়ে উত্তেজনা ছড়ানো হচ্ছে। আর এর ফলে ক্ষতি হবে সেখানকার বাঙালিদেরই। অপরদিকে চোপড়া কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘর্ষ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন যে চোপড়া থেকে শুরু করে করনদিঘী পর্যন্ত এই যে জায়গাটা প্রায় একশো কিলোমিটারের কাছাকাছি। গত বছর ক্ষানেক ধরে সেখানে অত্যন্ত উত্তেজনা প্রবন হয়েছে এবং একাধিক খুনখারাবা হয়েছে। এর পাশাপাশি সেই এলাকায় আমাদেরও কর্মী খুন হয়েছেন। এবং তৃণমূলের নিজেদের গোষ্ঠী দন্দেও খুন হয়েছে।

আসতে আসতে রায়গঞ্জ পর্যন্ত এই দুস্কৃতকারী ও সমাজবিরোধীদের দাপট বেড়ে যাচ্ছে। সেখানে পুলিশ কিছু করে না। প্রশাসনের কোন হাত নেই। তাই সরকারের দায়িত্ব সেখানে শান্তি আনা। এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়া। আর তারা সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে আছে তাই পুলিশ কিছু করতে পারে না।

এছাড়াও চেক করুন

তৃণমূল কংগ্রেস কে তিনি “ভীতু” বলে কটাক্ষ ভারতী ঘোষের

কার্তিক গুহ, পশ্চিম মেদিনীপুর: “কেশপুরে তৃণমূল আমাদের ভয় পেয়েছে। তাই আমাদের আটকানোর জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.