Breaking News
Home >> Breaking News >> আজও নাড়ু কলা দেওয়া হয় কাটোয়ার শ্রীবাটী গোকুলকৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে

আজও নাড়ু কলা দেওয়া হয় কাটোয়ার শ্রীবাটী গোকুলকৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে

গৌরনাথ চক্রবর্ত্তী,কাটোয়াঃ বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে কাটোয়া ২নং ব্লকের শ্রীবাটী গোকুলকৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালিত হল।

গান,নৃত্য ,আবৃত্তি,নাটক সহযোগে দিনটি পালিত হল।খড়ের ছাউনিতে মাটি পাঠশালার ঘর থাকলেও গ্রামের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ায় তেমন আগ্রহ না থাকায় প্রতিষ্ঠাতা গোকুলকৃষ্ণ চন্দ্র ফন্দি করেছিলেন পাঠশালায় এলেই ছাত্র-ছাত্রীদের নাড়ু কলা দেওয়া হবে।বাড়তে থাকে পড়ুয়া সংখ্যায়। বর্তমানকালে মিড-ডে মিলের ধাঁচে বিদ্যালয় মুখী করতে এই প্রথা চালু হয়।কাটোয়ার শ্রীবাটী গোকুলকৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৫৩ তম প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানে চলল সেই নাড়ু কলা দেওয়ার প্রথা।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,প্রত্যন্ত গ্রামে শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১৮৬৭ সালে স্থানীয় জমিদার গোকুলকৃষ্ণ চন্দ্র জনা দশেক ছাত্র নিয়ে শুরু করেন পাঠশালা। পড়াশোনার পরিকাঠামো থাকলেও পড়ার প্রতি ছাত্র-ছাত্রীদের আগ্রহ না থাকায় মুড়ির নাড়ু ও চাঁপাকলা দেওয়ার প্রথা চালু করেন।ওই প্রথা চালু হওয়ার পর শ্রীবাটী গ্রাম ছাড়াও আশেপাশের বাকসা,পোষ্টগ্রাম,নন্দীগ্রাম ও নতুনগ্রামের ছাত্র-ছাত্রীরা ভিড় জমাতে শুরু করেন।এখন আর প্রতিদিন বিদ্যায়তনে নাড়ু -কলা দেওয়ার প্রথা চালু না থাকলেও বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা দিবসের দিন সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের নাড়ু -কলা দেওয়ার প্রথা আজও চালু রেখেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।শ্রীবাটী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাগর প্রধান,উপ-প্রধান জগন্নাথ রুদ্র,স্কুলের সভাপতি করবী বরণ মণ্ডল ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নাড়ু-কলা তুলে দেন প্রতিষ্ঠা দিবসের দিন।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুকান্ত কর্মকার বলেন,মিড-ডে মিল তো এদিনের প্রথা।আমাদের স্কুলে দেড়শো বছর আগে এই প্রথার কথা ভেবেছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা,এটা আমাদের গর্ব।

এছাড়াও চেক করুন

পশ্চিম মেদিনীপুরের লোহাটিকরীতে উল্টে গেল একটি সরকারি বাস

কা‌র্তিক গুহ, ‌স্টিং নিউজ, পশ্চিম মেদিনীপুর :- পশ্চিম মেদিনীপুরের গুড়গুড়িপাল থানার অন্তর্গত লোহাটিকরীতে উল্টে গেল …

Leave a Reply

Your email address will not be published.