Breaking News
Home >> Breaking News >> তবে কি নিহত সত্যজিতের আবেগকে কাজে লাগাতেই রানাঘাট থেকে প্রার্থী করা হল তাঁর স্ত্রী রুপালিকে?

তবে কি নিহত সত্যজিতের আবেগকে কাজে লাগাতেই রানাঘাট থেকে প্রার্থী করা হল তাঁর স্ত্রী রুপালিকে?

স্টিং নিউজ সার্ভিস: ৪২ শে ৪২ এই ডাক দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস যে এবারের লোকসভার ঘুঁটি সাজাবে, সেটা বেশ কিছু দিন ধরেই বোঝা যাচ্ছিল। সেজন্য প্রার্থীপদ বাছাই করতে গিয়ে যে বেশ কিছু পুরোনো নাম বাদ যেতে চলেছে এবারের প্রার্থিপদ থেকে, সেটা বেশ আগে ভাগেই বোঝা যাচ্ছিল। কারণ বিজেপি সহ কোন বিরোধী দলকেই এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ তৃণমূল সুপ্রিমো।

সেই কারণে মঙ্গলবার বিকেলে যখন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থিপদ ঘোষণা করছেন, তখন বেশ কিছু কেন্দ্রের নাম শুনে উপস্থিত অনেকেই চমকে উঠছিলেন। কিন্তু যিনি নাম গুলো ঘোষণা করেছিলেন তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তার রাজনৈতিক দূরদৃষ্টি সম্পর্কে বলার অবকাশ রাখেনা। তাই বোধ হয়, এবার মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহান এর মতো অনভিজ্ঞ(রাজনৈতিক ক্ষেত্রে) প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করার সময়েও একবারও ঠোঁট কাঁপেনি দিদির। উনি বোধ হয় আন্দাজ করতে পেরেছেন এদের নাম গুলো নিশ্চয়ই ম্যাজিকের মতো কাজ করবে, বিজেপির বিরুদ্ধে জয় হাসিল করতে যাদবপুর, বসিরহাট এর মত কেন্দ্র গুলোতে।

কিন্তু রানাঘাট? এখানে তো অনেকেই ভেবেছিলেন এবার বোধ হয় এই কেন্দ্রে আগের বারের প্রার্থী তাপস মন্ডলের বদলে প্রার্থী হতে পারেন এখানকার ভূমিপুত্র শঙ্কর সিং। কিন্তু সেখানে রুপালি বিশ্বাস, যার আজকের দিন পর্যন্ত বয়স ২৫ হয়নি। তবে তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি আর কদিন পরেই উনি ২৫ পূর্ন করবেন। তবে তার নাম ঘোষণা করার পরে একটু সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়েছেন রুপালি বিশ্বাসের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য, প্রথমেই তিনি বলেন, ” রুপালি আমাদের কৃষ্ণগঞ্জের খুন হওয়া বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসের স্ত্রী, ওর একটা ১/৫ বছরের বাচ্চা আছে বাড়িতে, এবং এরা মতুয়া সম্প্রদায়ের একটা অংশ। এবং সত্যজিৎ এলাকায় অনেক কাজ করেছে , ওর একটা সুনাম আছে, সেই সুবাদেই ওর স্ত্রীকে প্রার্থী করা হল।”

তাই বলে শুধুমাত্র সত্যজিতের স্ত্রী বলে রুপালিকে প্রার্থী করা হল। নাকি খুন হওয়া সত্যজিতের আবেগ কে কাজে লাগিয়ে এই কেন্দ্র থেকে বাজি মাত করতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো?

সবথেকে বড় কথা হল, ৪২ শে ৪২ তো লাগবেই সেটাই তো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তাই কোথায় কোন চাল দিতে হবে সেটা তো একজনই জানেন। সেখানে কে রুপালি, কে নুসরত, কে মিমি? বাকি সব তো নিমিত্ত মাত্র। এখানে তো একজনই সর্বেসর্বা, তিনি যখন আছেন তৃণমূল দলেরও বোধ হয় সব কর্মীরা এই বিশ্বাস করছে “দু হাজার উনিশ বিজেপি ফিনিস”। তবে বাংলার মানুষ কিন্তু ২৩শে মে, ২০১৯ এই তারিখটার অপেক্ষায় থাকবে।

এছাড়াও চেক করুন

মাতৃভাষা বাঁচাবার তাগিদে সাইকেল চেপে দেশ ভ্রমণ যুবকের

বিশ্বজিৎ সরকার, স্টিংনিউজ করেসপনডেন্ট, দার্জিলিংঃ মাতৃভাষা বাঁচাবার তাগিদে সাইকেল চেপে দেশ ভ্রমণে মহারাষ্ট্রের ডংরিগলির বাসিন্দা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.