Breaking News
Home >> Breaking News >> প্রচারে বেরিয়ে ১৫ লাখের প্রশ্নের মুখে বিজেপি প্রার্থী

প্রচারে বেরিয়ে ১৫ লাখের প্রশ্নের মুখে বিজেপি প্রার্থী

স্টিং নিউজ সার্ভিস: বুধবার ছিল মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি দিন। এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি করার পর বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া চলে যান বর্ধমান জেলা আদালত চত্বরে। সেখানে গিয়ে তিনি বার অ্যাসোসিয়েশনে আইনজীবীদের সঙ্গে আলাপচারিতা বসেন। এরপর তিনি আইনজীবীদের সেরেস্তায় যান। সেরাস্তায় গিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন। আদালত চত্বরে দোকান থেকে তিনি চা কিনেও খান।কিন্তু প্রচারের মাঝে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী বিপত্তিতে পড়েন। প্রচারের একবারে শেষ মুহূর্তে এক আইনজীবী হঠাৎ বলে ওঠেন আপনি কি ১৫ লক্ষ টাকা দিতে এসেছেন। প্রশ্ন করেন ১৫ লাখ কোথায় গেল? আগেরবার লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বলেছিলেন ১৫ লাখ টাকা দেবেন। এখন কি ১৫ লাখ দিতে এসেছেন। যদিও বিষয়টি মজার ছলেই দেখেন বিজেপির প্রার্থী তথা আসানসোলের জামাই। তিনি গোটা বিষয়টি সুকৌশলে হাসি মুখে এড়িয়ে যান। পরে অবশ্য সৌজন্যে দেখিয়ে প্রার্থীকে চা খেতে বলেন ওই আইনজীবী।আপাতত হাসি ঠাট্টাতেই মেটে ১৫ লাখের পর্ব।
দীর্ঘ টালবাহানার পর রবিবার বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়।পরের দিনই সোমবার বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দির পুজো দেন ও গুরুদুয়ারায় গিয়ে প্রার্থনা করেন সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া। তারপর বর্ধমানের রাজবাটির উত্তরফটক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। প্রার্থী হুডখোলা গাড়িতে চেপে প্রচার শুরু করেদেন।গতকাল তিনি জেলাশাসকের দপ্তরে মনোনয়ন দাখিল করেন। আর এদিন প্রাক্তন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র সটান হাজির হন বর্ধমান আদালত চত্বরে। প্রথমে তিনি যান বার এ্যাসোসিয়েশনের ঘরে। সেখানে তিনি আলাপ চারিতার পর যান আদালত চত্বরের বিভিন্ন সেরাস্তায়। তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি সন্দীপ নন্দী। ছিলেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা।তবে পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ ১৫ লাখ টাকার বিষয়টি আর বাড়াতে চান নি।এই নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলেও তিনি কোন উত্তর দেন নি।তবে লাখের খোঁচায় বিজেপি প্রার্থী যে বুধবার যথেষ্ট অস্তিত্বে পড়লেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এছাড়াও চেক করুন

তৃণমূল কংগ্রেস কে তিনি “ভীতু” বলে কটাক্ষ ভারতী ঘোষের

কার্তিক গুহ, পশ্চিম মেদিনীপুর: “কেশপুরে তৃণমূল আমাদের ভয় পেয়েছে। তাই আমাদের আটকানোর জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা …

Leave a Reply

Your email address will not be published.