Breaking News
Home >> Breaking News >> ফেসবুকে প্রেম, রাশিয়া থেকে প্রেমিকা এলো আরামবাগে বাঙালী প্রেমিকের কাছে

ফেসবুকে প্রেম, রাশিয়া থেকে প্রেমিকা এলো আরামবাগে বাঙালী প্রেমিকের কাছে

কমলেন্দু পোড়েল, স্টিং নিউজ করেসপন্ডেন্ট, হুগলী: ফেসবুকে প্রেম, বাধা কেবল কয়েক হাজার নয় লক্ষ কিলোমিটারের। প্রেমালাপ চলছিলো ফেসবুক চ্যাটে, এক প্রান্তে রাশিয়ার সুন্দরী অপর প্রান্তে হুগলীর আরামবাগের বছর ৩০ শের প্রসেনজিৎ কর্মকার। অবশেষে প্রেমিকা সব বাধা পেরিয়ে সুদুর রাশিয়া থেকে প্রেমিকের সাথে দেখা করতে আরামবাগে চলে এলেন। তবে তখন প্রমিকার অজান্তেই বিয়ে করে নিয়েছেন হুগলী আরামবাগের বাঙালী যুবক।

জানা গেছে, বছর দেড়েক আগে ফেস বুকে আলাপ হয় এক রাশিয়ান তরুণীর সাথে হুগলির আরামবাগের যুবকের। তার পরে আরও চেনা পরিচিতি। তাই বন্ধুর টানে সোজা রাশিয়ার ইউক্রেন থেকে আরামবাগে, নাম রাশিয়ার  বাসিন্দা লোপা চুক নাদিয়া ৩০। জানা গেছে, তিন মাসের ভিসা নিয়ে আরামবাগের তালারপাড় এলাকার যুবক তথা পেশায় মোবাইল ফোনের ব্যবসায়ী প্রসেনজিত কর্মকারের খোঁজে চলে আসেন রাশিয়া থেকে।

গত ২৩ আগষ্ট তিনি দিল্লিতে আসেন পরে দিল্লি থেকে কোলকাতা।।এর পরে ২৫আগষ্ট সন্ধ্যা বেলায় আরামবাগের একটি হোটেলে ওঠেন রাশিয়ার এই তরুণী। তার পরেই  শোরগোল পড়ে যায়।এমনটা মনে করা হচ্ছে কেন রাশিয়ার এই তরুনী লোপাচুক নাদিয়া আরামবাগের এই যুবক প্রসেনজিতের খোঁজে এলেন। জানা গেছে, ইতিমধ্যে গত ১৫ আগষ্ট প্রসেনজিতের বিয়ে হয়। সাধারন কিছু মানুষ বোলতে শুরু করেছেন তাহলে কি প্রসেনজিতের বিয়ের খবর জানতে পেরে তাকে আরামবাগে ছুটে আসতে হয়।

আবার এই তরুণী প্রশ্ন করা হলে প্রসেনজিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কটুক্তি করতে থাকেন। বার বার সাংবাদিকদের প্রশ্নের সময়ে তিনি ভুল বোঝাতে থাকেন তরুনীকে। রাশিয়ার এই তরুনীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, প্রসেনজিত আমার বন্ধু। আমি ইন্ডিয়াকে ভালবাসি। তাই আমি এসেছি। এদিকে আরামবাগের হোটেলে এসে তিনি প্রসেনজিতের খোঁজ করতে থাকেন। এরপরেই তিনি এখানে তিন মাস থাকতে চান।এর পরেই হোটেলের ম্যানেজার প্রসেনজিতকে ডাকে। প্রসেনজিত এলে তার সাথে এই তরুণীর তর্ক বিতর্ক শুরু হয়ে যায়। তা দেখে হোটেল কর্তৃপক্ষ থানায় খবর দেন।

এদিন প্রসেনজিতকে প্রশ্ন করা হয় তরুনী যে এখানে এসেছেন, তিনি যদি আপনাকে বিয়ে করতে চান। তার উত্তরে তিনি বলেন, তিনি চাইতেই পারেন। তা বলে আমি তো চাইনা। আমার সাথে ফেসবুকে আলাপ। মেয়েটা কেন এসেছে তা মেয়েটিই জানে। তিনি আমার বন্ধু। এর বাইরে কিছু না। এরপরেই মঙ্গলবার তাকে আরামবাগ থানায় নিয়ে আসা হলে তাকে দেখতে বহু মানুষ থানায় ভিড় জমান। পরে এদিন দুপুরে প্রসেনজিতের সাথেই এই তরুণী কলকাতায় ফিরে যান।

এছাড়াও চেক করুন

শিশু আলয় কেন্দ্রের শুভ উদবোধন হল নদিয়ার বেশকিছু সেন্টারের

নিজস্ব প্রতিনিধি ,নদিয়াঃ মহত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীন কর্মনিচশ্চয়তা প্রকল্পের আওতাভুক্ত অঙনারী কেন্দ্রের অর্থাৎ শিশু আলয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.