Breaking News
Home >> Breaking News >> মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর যুব’র পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর যুব’র পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে

মনিরুল হক, কোচবিহারঃ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর যুব’র পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ মাদার তৃনমূলের কর্মী সমর্থকেরা। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার গভীর রাতে দিনহাটা ১নং ব্লকের গোসনামারি ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মাল্লিরহাট বাজার সংলগ্ন এলাকায়।

ওই ঘটনার ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়। আজ সকালে ওই এলাকায় তৃনমুল যুব কংগ্রেসের পক্ষ থেকে একটি বাইক মিছিল করে। ওই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে দিনহাটা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ওই এলাকা উত্তেজনা থাকায় ঘটনা ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অভিযোগ, মাল্লিরহাট বাজার এলাকায় আমরা যুব’রা ওই পার্টি অফিসে তৈরি করেছি। সেই পার্টি অফিসে হঠাৎ নুর আলম হোসেনের অনুগামীরা পার্টি অফিসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, নিশীথ প্রামাণিকের ফ্লেক্স, ফেস্টোন ছিল সব গুলিতে আগুন লাগিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। তার জেরে আজ সকালে ওই এলাকায় আমরা যুব’রা সেখানে একটি বাইক মিছিল করি। পুলিশ প্রশাসনকে বলি যে আমাদের পার্টি অফিস ফ্লেক্স, ফেস্টোন যারা পুড়িয়েছে তাদের অভিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে। না হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

তৃনমুল যুব কংগ্রেসের দিনহাটার কনভেনার নারায়ণ শর্মা বলেন,“যেহেতু কোচবিহার জেলায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজনীতিতে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে নিশীথ প্রামাণিক। কর্মীদের অনুপ্রাণিত করার জন্য তার ছবি পার্টি অফিসে লাগানোই যেতে পারে বলে মনে করি। জনপ্রিয়তার বিষয়ে তারা পেরে উঠছেন না দেখে নিজেরা কোণঠাসা হয়ে যাচ্ছে বলে আজ নিশীথ প্রামানিকের ছবি পুড়িয়ে দিচ্ছে। কিন্তু তার ছবি পুড়িয়ে জনপ্রিয়তা কমানো যাবে না।”

দিনহাটা ১নং ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মফিজুল হক বলেন, “ছবি পুড়িয়ে নিশীথ প্রামাণিক জনপ্রিয়তাকে আটকানো যাবে না। তার ছবি দুষ্কৃতিরা পোড়াতেই পারে। কিন্তু হাজার হাজার যুব কর্মীদের হৃদয়ের মধ্যে যে নিশীথ প্রামাণিকের ছবি রয়েছে তা কোনদিনই ধ্বংস করতে পারবে না।”
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করে দিনহাটা ১নং ব্লকের তৃণমূল কংগ্রসের সভাপতি নুর আলম হোসেন বলেন, আমরা যারা ওই অঞ্চলের মানুষ তারা ওই পার্টি অফিসটা তৈরি করি। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের সময় তৃণমূল যুব কংগ্রেস দখল করে নেয়। তারপর থেকে আমাদের বসার অসুবিধা হয়। আমরা কিন্তু আর আলাদা পার্টি অফিস তৈরি করিনি।

কিন্তু দেখা যায় ওই পার্টি অফিসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃনমুল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোন ছবি নেই। সেখানে নিশীথ প্রামানিকের ছবি লাগানো রয়েছে।ওই কর্মীদের মনে প্রশ্ন জেগেছে নিশীথের ছবিকে পার্টি অফিসে। দলীয় পার্টি অফিসে থাকবে না থাকবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃনমুল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কোচবিহার জেলার তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা সাংসদ পার্থ প্রতিম রায়ের ছবি।

সেখানে তার ছবি কেন? শুক্রবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে তৃনমুল কংগ্রেসের কোর কমিটির বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দেন যে একই এলাকায় যুব’র তৃনমুল কংগ্রসের পার্টি অফিস একটাই হবে। তারপর তৃণমূল কর্মীরা সেই পার্টি অফিসে যানা।সবাই আমরা এক সাথে মিলে মিশে পার্টি অফিসে বসি। সেখানে যাওয়া মাত্র যুব’র কর্মীরা তাদের তাড়িয়ে দেয়। ফলে একটা ঝামেলা হয়। তার জেরে ওই এলাকার যারা দীর্ঘদিনের তৃণমূল কর্মী রয়েছে তারা পার্টি অফিসে নিশিথের পোস্টার দেখে তা টেনে ফেলে দেয়।

তারপর যুব’রা নিজেদের দোষ ঢাকার জন্য নিজেরাই ফ্লেক্স, ফেস্টোন পুড়িয়ে আমাদের দিকে আঙুল তুলচ্ছে। আমরা যুব ও মাদার তৃনমুল এক। আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। অনেকে এই তৃণমূল যুবর গল্প করে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে।”

এছাড়াও চেক করুন

শুক্রবার থেকে বাতিল বর্ধমান হাওড়া লাইনের বহু ট্রেন

স্টিং নিউজঃ থার্ড লাইনের কাজ চলার জন্য শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বর্ধমান হাওড়া মেন শাখার …

Leave a Reply

Your email address will not be published.