Breaking News
Home >> Breaking News >> নদিয়ার ছায়া কুলগাছিয়াতে দেখছে! প্রকাশ্য দিবালোকে স্টেশনের গায়ে চলছে দেদার চোলাইয়ের কারবার

নদিয়ার ছায়া কুলগাছিয়াতে দেখছে! প্রকাশ্য দিবালোকে স্টেশনের গায়ে চলছে দেদার চোলাইয়ের কারবার

কল্যাণ অধিকারী, স্টিং নিউজ করেসপনডেন্ট, হাওড়াঃ ঝাঁ চকচকে প্ল্যাটফর্ম এর পাশে জংলী গাছ। আপাত নজরে কিছুই বোঝা যাবে না। কাছে পৌঁছাতে নজরে আসে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্ল্যাস্টিক পেপারের স্তুপ। ওতে করেই দিনে দুপুরে বিক্রি হচ্ছে চোলাই। কাস্টমার ট্রেন থেকে নেমে সিমেন্টের থামে বসে রসনায় তৃপ্ত হয়ে ট্রেন ধরে ফিরে যায় গন্তবে। সবাই জানে তবুও নেই পুলিশের কোনও শাসন।

দক্ষিণ পূর্ব রেলের হাওড়া-খড়গপুর শাখার কুলগাছিয়া স্টেশন। একের পর এক ট্রেন প্ল্যাটফর্ম ছুঁয়ে গন্তব্যে চায়। এখানেই তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম এর গায়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে চোলাইয়ের রমরমা। এলাকার মানুষের থেকে বেশি বাইরের এলাকার কাস্টমার চোলাই খেয়ে যায়। টলমলে পায়ে প্ল্যাটফর্মে শুয়ে পড়ে। কয়েকঘন্টা ও ভাবেই পড়ে থাকে। দিনে দুপুরে এই দৃশ্য দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছে নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ।

নদিয়ায় বিষমদ খেয়ে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। সাসপেন্ড করা হয়েছে আবগারি দপ্তরের ওসি সহ ১১ জন কর্মীকে। রাজ্য সরকারের নির্দেশে তদন্তের শুরু করেছে সিআইডি। কিন্তু এরপরেও কী অন্যান্য জেলায় বদলেছে চোলাইয়ের চিত্র? গ্রামীণ হাওড়া কুলগাছিয়া স্টেশন অন্যকথা বলছে। দিব্যি চলছে কারবার। কাস্টমার আসছে। তবে কিছুটা সন্তর্পণে। অচেনা মানুষ দেখলে গা ঢাকা দেবার জোগাড়। যদিও পাশে পড়ে থাকা প্ল্যাস্টিক পেপারে তখনও এক ফোটা দু’ফোটা করে চুইয়ে পড়ছে তরল চোলাই।

আবগারি ও পুলিশ সূত্রে খবর, গত তিনদিনে গ্রামীণ এলাকায় গ্রেফতার হয়েছে ১১জন। বাজেয়াপ্ত চোলাইয়ের পরিমাণ প্রায় ১০০০ লিটার। কিন্তু তারপরেও প্রভাব তো যেই কে সেই ? প্রকাশ্য দিবালাকে দিব্যি চলছে চোলাই এর কারবার। পুলিশের কথায়, এর আগেও অভিযান হয়েছে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ আরও চলবে অভিযান। এমন প্রকাশ্যে চলছে চোলাই এর কারবার পুলিশের কাছে কোনও খবর নেই কেন? জবাব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা।

স্থানীয় ও নিত্যযাত্রীদের কথায়, কুলগাছিয়া স্টেশন হয়ে বহু কলেজ ছাত্রছাত্রী রামরাজাতলা এবং হাওড়া এবং বাগনান এলাকার কলেজে পড়াশোনা করে৷ দিনের দিন এ দৃশ্য দেখেই কলেজে যায়। সন্ধ্যার পর থেকে তিন নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে যেতে ভয় পায়। ওখানের চোলাই এর কারবার বহু এলাকায় পরিচিত। মাতলামির মাত্রা বেড়ে রাত বাড়লে।

পুলিশ, রেল পুলিশ সকলেই সব জানেন। কিন্তু কোনও প্রকার অভিযান হয় না।রাজনৈতিক মদতেই কারবারের রমরমা। চোলাই খেয়ে মৃত্যু হলেই পুলিশ প্রশাসন জেগে ওঠে। বাকি সময় যেই কে সেই।

এছাড়াও চেক করুন

ব্লক সভাপতির অনুগামীর বাড়িতে বোম ও গুলি ছোড়ার অভিযোগ দিনহাটার বিধায়ক পন্থীদের বিরুদ্ধে

মনিরুল হক, কোচবিহারঃ ব্লক সভাপতির অনুগামীর বাড়িতে বোম ও গুলি ছোড়ার অভিযোগ উঠল দিনহাটার বিধায়ক …

Leave a Reply

Your email address will not be published.