Breaking News
Home >> Breaking News >> সুকুমার ব্যানার্জী মেমোরিয়াল উইনার্স কাপ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান

সুকুমার ব্যানার্জী মেমোরিয়াল উইনার্স কাপ চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান

নিজস্ব সংবাদদাতা, বর্ধমান: বর্ধমানে মন জিতল মোহনবাগান। বিনোদী মাধব সামন্ত কোচিং ক্লাব আয়োজিত অনূর্দ্ধ ১৯ সুকুমার ব্যানার্জী মোমোরিয়াল উইনার্স কাপ ও হরনাথ দে মেমোরিয়াল রানার্স কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান জুনিয়র দল।

সোমবার বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল বয়েজ স্কুলের মাঠে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার ফাইনালে তারা ৪-১ গোলে বার্নপুর ইউনাইটেড ক্লাবকে
হারিয়ে খেতাব দখল করে।
প্রতিযোগিতার ফাইনাল হিসাবে এদিন মাঠে ছিলেন প্রাক্তন ফুটবলার জামসেদ নাসিরি।
এছাড়াও বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল সেক্রেটারি তথা প্রাক্তন ফুটবলার দেবাশিষ
কোনার সহ অন্যান্যরা। এদিন তারা প্রথমে ফুটবলারদের সঙ্গে পরিচিত হন। তারপর শুরু হয়
ম্যাচ। খেলার শুরু থেকেই ম্যাচের রাশ হাতে নেয় মোহনবাগান। খেলার একদম শুরুতেই গোল করে
মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন শুভ ঘোষ। ডানদিক থেকে উড়ে আসা বল রিভিস করে একক দক্ষতায়
বল নিয়ে গোলকিপারকে ভুল দিকে ড্রাইভ করিয়ে গোল করে যান শুভ। গোলের রেশ মিলিয়ে না
যাওয়ার আগেই ফের গোল করে মোহনবাগান। সমর কুমিরের পাশ থেকে ফের গোল করে যান শুভ।
খেলার প্রথম ১০ মিনিটেই ঝড় তুলে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় তারা। এইসময় আরও কয়েকগোলে
এগিয়ে যেত পারত জুনিয়র সবুজ মেরুন। মোহনবাগানের দ্বীপ সাহা গোলের কাছে পৌঁছে গিয়েও মিস
করেন। এরপর আসতে আসতে খেলায় ফেরে বার্নপুর। জয়ন্ত বাউরি, বরুণ বাউরি, বিবেক বাউরি,
কানু মুর্মুদের দাপটে খেলা থেকে একটু একটু করে সরে যায় মোহনবাগান। খেলার মাঝামাঝি সময়
ব্যাবধান কমায় বার্নপুর। বিবেক বাউরির কাছ থেকে ছিটকে আসা বল জয়ন্ত বাউরির কাছে এলে
প্রায় ২০ গজ দূর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে যান জয়ন্ত। এরপর বেশ কয়েকবার গোলের কাছেও
পৌঁছে যায় বার্নপুর। বার্নপুরের শৌভিক দাস কয়েকবার সহজ সুযোগ নষ্ট করে। এগিয়ে যেতে
পারত মোহনবাগানও। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ডাইরেক্ট ফ্রি কিক থেকে গোল পেয়ে যেতে পারত
মোহনবাগান। দ্বীপ সাহার শট আসাধারন সেভ করেন বার্নপুর গোলকিপার। ২-১ গোলে এগিয়ে
থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচে ফেরে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে অক্ষুণ্ণ ত্যাগীর জায়গায়
মাঠে নামেন মোহনবাগানের সঞ্জয় মন্ডল। এরপর মুহুর্মুহু আক্রমণ করে তারা। ডিফেন্স থেকে
উঠে এসে বারবার স্টাইকারদের সাহায্য করেন পাহাড়ি ছেলে ল্যামিনলিয়েন কিপজেন। দ্বীপ সাহা,
দ্বীপ বাগ, শুভ ঘোষরা। খেলার মাঝামাঝি সময়ে মিনিট টানা আক্রমন করে মোহনবাগান। শুভ ঘোষ
এই সময় তিনটি নিশ্চিত গোলের পাশ বাড়ান, অল্পের জন্য এগুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অবশেষে সেই
শুভ ঘোষের ভাসানো ক্রশ থেকে গোল করে যান পরিবর্ত নামা সঞ্জয় মন্ডল। খেলা শেষ হওয়ার
আগে নিজের হ্যাট্রিক করেন শুভ ঘোষ। নিজের হ্যাট্রিকের পাশাপাশি দলের জয়ও নিশ্চিত করেন
শুভ। তবে এদিন ম্যাচে নজর কাড়েন বার্নপুরের গোলকিপার সঞ্জু সুর। সে নিশ্চিত কয়েকটি গোল
বাঁচিয়ে দেন।

এছাড়াও চেক করুন

মদ্যপানে বাধা দেওয়ায় মাকে গুলি করে খুন ছেলের, চাঞ্চল্য দিনহাটার আবুতারায়

মনিরুল হক, কোচবিহারঃ মদ খেতে বাধা দেওয়ায় মাকে গুলি করে খুন করল ছেলে। মর্মান্তিক ওই …

Leave a Reply

Your email address will not be published.